BD LAW

অবতারনা :

১৯০০ সালের গোড়ার দিকে তৎকালীন বৃটিশ সরকার ভারত বর্ষে শ্রম আইন প্রবর্তন আরম্ভ করেন। তার পর বাংলাদেশ স্বাধীন হলে সরকার সে সমস্ত আইন গুলো এ দেশে গ্রহণ করেন এবং প্রচলিত হতে থাকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা উত্তর পরিবর্তিত অবস্থার পটভূমিতে দেশের শিল্পায়নের অগ্রগতি, পুজি বিনিয়গের অনুকুল পরিবেশ, উৎপাদন বৃদ্ধি, সৌহার্দপূর্ণ শ্রমিক মালিক সম্পর্ক উন্নয়ন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিরাজমান অসংগতি দুর করে অনুসমর্থিত আই এল ও কনভেনশনের আলোকে গঠনমূলক পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষে দেশে বিদেশে সংশ্লিষ্ট সকল মহল থেকে বিদ্যমান শ্রম আইন সমূহের ব্যাপক পরিবর্তন দাবী করা হয়। উল্লিখিত দাবীর পেক্ষিতে আধুনিক ও যুগোপযোগী সমন্বিত শ্রম আইন প্রণয়নের জন্য সরকার ১৯৯২ সালে বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস চৌধুরীকে চেয়ারম্যান করে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের প্রতিনিধি নিয়ে ৩৮ সদস্য বিশিষ্ট জাতীয় শ্রম আইন কমিশন গঠন করে। দীর্ঘ দুই বছরের সাধনার পর কমিশন ১৯৯৪ সালে একিভুত, আধুনিক ও যুগোপযোগী শ্রম আইনের একটি খসড়া সহ তার রিপোর্ট সরকারের কাছে দাখিল করে। পরবর্তিতে উক্ত খসড়া একিভুত শ্রম আইনের উপর আই এল ও সহ মালিক ও শ্রম সংগঠন এবং বেসরকারী সংস্থাসমূহের মতামতের ভিত্তিতে .. গত ১১ অক্টোবর, ২০০৬ থেকে নতুন বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ কার্যকর করা হয়েছে। উক্ত শ্রম আইন ব্যবহারে আনেক সমস্যা পরিলক্ষিত হওয়ায় সরকার, মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সমন্বয়ে ২০০৮ সালে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ সংশোধন কল্পে ৩০ সদস্য বিশিষ্টি কমিটি গঠন করে উক্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ২২ জুলাই ২০১৩ নূতন বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন ২০১৩ কার্যকর করা হয়েছে। পরবর্তীতে নভেম্বর ১৪, ২০১৮ নূতন বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন ২০১৮ কার্যকর করা হয়েছে।